চাঁদখানি ভাসছে কুয়াশার চাদরে,
বুনোঘাস ঘামছে শিশিরের আদরে।
তারাগুলো লুকিয়ে আকাশের আড়ালে,
পাতাঝরা শিমুলটা দাঁড়িয়ে আকালে।
পাড়খানি কাঁপছে পুকুরে জড়ায়ে,
একপাশে কাশবন নীরবে ছড়ায়ে।
আসমান বিষাদে ধূসরিত উপরে,
মেঘতায় ঝুলছে শীতেফাটা গতরে।
হাওয়াতে মিশিয়ে মাঘের স্পন্দন,
মাঝরাতে ঝরছে আঁধারের ক্রন্দন।
একরাশ আলোকণা সামনে চুপচাপ,
মাটিতে ফেলছে প্রশান্তির উত্তাপ।
ছোপছোপ ঘরগুলো স্বপনে জ্বলছে,
গেঁয়োপথ আনমনে রূপকথা জপছে।
তারপরে শেষমাথা পলকের সীমানায়,
অবারিত মহাকাল দিগন্তে অসহায়।
এইপাশে ভাবনার সময়হীন চিত্ত,
রাত্রির ওপাশে আঁধারঘনে নিত্য।
জীবন্মৃত দেহখান লেপটার লেহনে,
লোহাজালের শেকলে বন্দী পেছনে।
ছিটকিনির সাথে এইদৃষ্টির সুবাদে,
গড়েচলি নিঃস্বতা রাতভর আবাদে।
কল্পনায় প্রতিরাত একাএকা জমে,
ধরাপড়ে জানলার চিরায়ত ফ্রেমে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন