অবারিত নীলাকাশ ছাপিয়ে নিস্পৃহ চেয়ে থাকা দীর্ঘশ্বাসকে ক্রমশ দীর্ঘায়িত করতে থাকে। আকাশের সব আলোতেই আমরা সন্তুষ্ট, অন্তত আমি। অথচ সূর্যের অনবরত দগ্ধ চেহারার বেদনাক্লিষ্ট রূপ একাকী ভেসে যায় একই পথে প্রতিদিন, কেউ তাতে ভুলে দেখলেও, কখনও সমবেদনা জানায় না। শুধুমাত্র জোছনা ধরে রাখে সেই দগ্ধ ইতিহাস, কালান্তরে। আর সেথায় জন্ম নিতে থাকে সহস্র কবিতা, যা আজও টিকিয়ে রেখেছে তথাকথিত পবিত্র ভালবাসাকে, মানুষের পিঞ্জরে। আঁধারের সাথে মিলিয়ে যাওয়া স্বপ্নহীন ঘুমে আমি নিজের পিঞ্জর খুজে বেড়াই। উপস্থিত সব শূণ্যতা আমায় সঙ্গ দিয়ে নিয়ে চলে রাত্রের নদীতীরে। হালকা শিরশিরে বাতাসে আমি ধূসর ঘ্রাণ নিতে থাকি ওইপারের সব অপ্রাপ্তির। বিলীন হয়ে যাওয়া সব প্রাচীন সভ্যতার কলংক নিয়ে কেমন এক বিষাদমাখা অস্তিত্বে ভেসে চলেছে পাশাপাশি হাত ধরে ঢেউগুলো। সাথে সময়কে নিয়েও। এপারে পাড় ভাঙ্গতে থাকে তার হতাশা কিংবা হারানোর বেদনায়, প্রায় নিঃশব্দে। ঘুমন্ত নাগরিক সমস্ত সত্তার কোনো ব্যাঘাত না ঘটিয়ে। তার সাথে সাথে আমার সন্দেহের ভিত গড়ে উঠতে থাকে, সমস্ত বিশ্বাসকে ঐপারের চরে নির্বাসিত করে। চোরাবালির ধূর্ত ফাঁদের গহ্বরে লুকিয়ে যায় সকল অব্যক্ত বেঁচে থাকার প্রেরণা।
সময় যখন স্থির হয়ে থাকে আপন সঙ্কীর্ণতায়, তখন কেন জানি অযাচিতভাবেই ঘুরপাক খেয়ে চলি অতীতের মায়াবৃত্তে। অহরহ পূর্ণ করতে থাকি নিজের মত করে সকল শূণ্যতা আপনচিত্তে। অথচ মনে থাকে না যে, কখনও বা এক একটি প্রহরই যথেষ্ট হয়ে ওঠে সমস্ত অর্জন, অস্তিত্ব আর অনুভূতিকে মিশিয়ে দিতে।
২টি মন্তব্য:
"কখনও বা এক একটি প্রহরই যথেষ্ট হয়ে ওঠে সমস্ত অর্জন, অস্তিত্ব আর অনুভূতিকে মিশিয়ে দিতে।"
সেই প্রহরকে ধরো! Seize the Day!
লেখা ভালো হচ্ছে আদিল। মনে হলো, তোমার চিন্তা ভাষার উপর আধিপত্য করতেসে; সে নিজেই তার শব্দ নির্বাচন করে নিতেসে। শব্দের অধীনে যেই চিন্তা হারায় না, সেইটা সত্য-অনুভূতির কাছাকাছি অনেক। সেই অর্থে লেখাটা বেশ ভালো।
ঐ মিয়া তার আগে কও তোমারে কই ধরুম? ডুব দিসো নাকি এক্কেরে? আমি তো বুয়েটে যাইয়া প্রায়ই ব্যাডমিন্টন খেলি। তুমি নাকি তড়িঘড়ি বিয়া করনের লাইগা জব এ ঢুকছ? আর তুমার লেখা কই? চোথা মারার নতুন কিছু পাইতাছিনা তো!
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন