সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

স্মারকচিহ্ন

অতঃপর দুর্বোধ্য কিছু স্মারকচিহ্নে ক্রমশ গড়ে উঠছো তুমি,
অনুভূতির বিস্মৃত বলয়ে মিশে যাওয়া নীরবতার মতো।
যতটুকু শ্বাস নিয়ে চলো কল্পনা বা ভাবনার প্রহরে;
হয়তো এর কিছুই জানতে না,
হয়তো আরও ছড়াতে পারতে গোধূলির মতো,
ফেনীল ঢেউ হয়ে ভেসে যেতে পারতে সব বালুচরে ইচ্ছেমতো,
আর সমস্ত থাকা, না-থাকা ধীরে ধীরে ধূসর হয়ে
তোমার পিছে পিছে ছায়ার মতো অনুগত হয়ে যেতো,
 অথচ শুধু সেই অংশটুকুই খসে যায় সময়ের গহ্বরে-
তোমার অস্তিত্বের প্রয়োজনে, অপ্রাসঙ্গিকতায়।


এইভাবে সমস্ত বিশালতায় নিজেকে পেতে তুমি হারাতে থাকো
এবং হারিয়ে যেতে থাকো;
নির্বাক তৈলচিত্রে ইতস্তত ছিটিয়ে পড়ন্ত কোনো বিকেলে
বাতাসের মতো দৃশ্যায়ত হয়ে আটকে থাকো;
অনেকরকম সূর্য নিয়ে সেখানে
একএকটি দিন ক্রমশ সরে যেতে থাকে গন্তব্যবিমুখতায়।   
আর নির্ঘুম রাত্রিজুড়ে হিমশীতল কোনো শিশিরকণা
হয়তো নিজের সবটুকু নির্লিপ্ততা নিয়ে ধরে রাখে
তোমার প্রতিটি নিরুদ্দেশ রাত্রি।

(০৮-০৮-১১)

কোন মন্তব্য নেই: